প্রয়োজনীয়:
• মোবাইলঃ ২টি শুল্কমুক্ত। আরও ৩টি শুল্কযুক্ত(প্রায় ৩৫%)। মোট ৫টির বেশি হলে BTRC’র ছাড়পত্র লাগবে।

• ল্যাপটপঃ ১টি শুল্কমুক্ত। আরও ১টি শুল্কযুক্ত (প্রায় ২০%)। মোট ২টির বেশি হলে CCI&E’র ছাড়পত্র লাগবে।

• কম্পিউটার মনিটরঃ ১টি ১৯” পর্যন্ত শুল্কমুক্ত। ২০”-২২” হলে প্রায় ৫০%, ২৩” বা তার বেশি হলে প্রায় ৭০% শুল্ক।

• টেলিভিশনঃ ২১” পর্যন্ত শুল্কমুক্ত। ২২”-২৯” হলে ১০,০০০ টাকা, ৩০”-৩৬” হলে ১৫,০০০ টাকা, ৩৭”-৪২” হলে ২০,০০০ টাকা, ৪৩”-৪৬” হলে ৩০,০০০ টাকা, ৪৭”-৫২” হলে ৫০,০০০ টাকা, ৫৩” এর বেশি হলে ৭০,০০০ টাকা শুল্ক।

অতিপ্রয়োজনীয়
• শাড়ী/বস্ত্রাদি/কসমেটিকসঃ ব্যাক্তিগত বিবেচনায় কয়েকটি পর্যন্ত শুল্কমুক্ত। আরও কয়েকটি শুল্কযুক্ত (প্রায় ১৬০%)। এর বেশি হলে CCI&E’র ছাড়পত্র লাগবে।

• ওষুধঃ প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে পরিমিত পরিমাণ। বাণিজ্যিক পরিমান বিবেচিত হলে DGDA’র ছাড়পত্র লাগবে।

অপ্রয়োজনীয়

• স্বর্ণালংকার : ১০০ গ্রাম পর্যন্ত শুল্কমুক্ত। অতিরিক্ত প্রতি গ্রামে প্রায় ১,৫০০ টাকা শুল্ক। বাণিজ্যিক পরিমাণ বিবেচিত হলে CCI&E’র ছাড়পত্র লাগবে। চোরাচালান মনে হলে জেলে যাবেন 🙂

• স্বর্ণবার/বিস্কুট : শুল্কযুক্ত। প্রতি ১১.৬৭ গ্রামে (১ ভরি) ৩,০০০ টাকা। ২০০ গ্রাম পর্যন্ত আনতে পারবেন। বাণিজ্যিক পরিমান বা চোরাচালান মনে হলে ঐ বা ঐ 🙂

টাকা-পয়সা
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, টাকা পয়সা হাতের ময়লা.. তাই ময়লা আনা বর্জন করুন। ইয়ে মানে, দেখলাম আসলেই পড়তেছেন কিনা

বাংলাদেশী মুদ্রা ৫০০০, বৈদেশিক মুদ্রা যত খুশি তত। ৫,০০০ ডলার/সমমানের বেশি হলে কাস্টমসের নিকট FMJ ফরমে ঘোষণা দিতে হবে।

বদ অভ্যাস
• সিগারেটঃ মাত্র ১ কার্টন তথা ২০০ শলাকা

• হার্ড ড্রিংকসঃ কেবল বিদেশী পাসপোর্টধারী হলে ১ লিটার

তথ্য সূত্র: Magistrates All Airports of Bangladesh